Thursday, May 19, 2016

চাল, সাইকেল, কন্যাশ্রীর পথেই ইতিহাস গড়লেন মমতা | আনন্দবাজার

সব হিসাব গুলিয়ে দিলেন মমতা। ভোট ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই বহু সমীকরণ, বহু পাটিগণিত, বহু যোগ-বিয়োগ শুরু হয়েছিল রাজ্যজুড়ে। সব অঙ্ককেই ভুল প্রমাণ করে ইভিএমে নিজের পক্ষে ঝড় তুলে দিলেন তৃণমূলনেত্রী। তাঁর বিপক্ষে যে সব পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল, সে সব তো খড়কুটোর মতো ভেসে গেলই। ভেসে গেলে সেই সব বিশ্লেষণও, যেখানে তৃণমূলকে সামান্য এগিয়ে রাখা হয়েছিল।

Wednesday, May 18, 2016

তেমাথার মোড়ে বাংলা | আমন্দবাজার

সম্ভাবনা ১
১৭০-র বা তার বেশি আসন জিতে একক বৃহত্তম দল হিসাবে নির্বাচিত হবে তৃণমূল কংগ্রেস। স্বস্তিজনক জয় হবে দিদির। চড়াম চড়াম ঢাকের আওয়াজে কান পাতা দায় হবে। সরকারের স্থায়িত্ব ও স্থিরতা নিয়ে তখন আশু কোনও আশঙ্কা থাকবে না। সদিচ্ছা থাকলে সে ক্ষেত্রে নয়া মন্ত্রিসভা সারদা-নারদার সংক্রমণমুক্ত রাখার ঝুঁকি নিতে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

কেউই তো হারছে না! কী যে হবে আজ | আনন্দবাজার

এক একটা করে মেসেজ ঢুকছে ইনবক্সে। এক বার চোখ বুলিয়েই তিনি ডিলিট করছেন। এ সব মেসেজের প্রতিপাদ্য একটাই। কোথায় ক’টা আসন জেতার আশা করা হচ্ছে, যে যার নিজের মতো হিসেব পাঠাচ্ছেন! ভোট-পরবর্তী সমীক্ষার পর থেকে এমন মেসেজের হিড়িক আরও বেড়ে গিয়েছে! শেষ পর্যন্ত বামফ্রন্টের নেতাদের সঙ্গে আলোচনায় বুধবার হাসতেই হাসতেই কথাটা বলে ফেলেছেন সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক— যার সঙ্গেই ফোনে কথা হচ্ছে, সে-ই বলছে জিতবে! কেউ তো কোথাও হারছে বলে মনে হচ্ছে না! কী যে হবে কাল!

নাজেহাল সিপিএম হাতিয়ার করেছে সেই সোস্যাল মিডিয়াকেই | বর্তমান


বিএনএ, আসানসোল: এতদিন সিপিএমের কাছে যা ছিল লড়াইয়ের টনিক এখন সেটাই তাদের গলায় কাঁটা হয়ে বিঁধছে। সোস্যাল মিডিয়ায় নিজেদের পছন্দের সমীক্ষার ফলকে সামনে রেখে কর্মীদের চাঙা রাখার চেষ্টা করেছিল বাম শিবির। এমনকি ক্ষমতায় আসছে ধরে নিয়ে জোট সরকারের মন্ত্রী তালিকাও তৈরি হয়ে গিয়েছিল সোস্যাল মিডিয়ায়। কিন্তু সোমবার দেশের নামী সংস্থাগুলি বুথ ফেরত সমীক্ষা প্রকাশ করার পর বেসুরে গাইতে শুরু করেছেন বাম নেতারা।

ফল খারাপ হলে দায় প্রদেশ নেতৃত্বের ঘাড়ে চাপিয়েই রাহুলের ভাবমূর্তি অটুট রাখার চেষ্টা করবে কং ম্যানেজাররা | সন্দীপ স্বর্ণকার - বর্তমান

আঙুল উঠবে অধীরের বিরুদ্ধে

নয়াদিল্লি, ১৮ মে: পশ্চিমবঙ্গে আগামীকাল সাইক্লোনের পূর্বাভাস শুনিয়ে রেখেছে আবহাওয়া দপ্তর! আবহাওয়ার পূর্বাভাস মিলুক না মিলুক, ভোটের ফল খারাপ হলে কংগ্রেসের অন্দরে বাইরে যে দোষারোপের সাইক্লোন বইবে, তা বলাই বাহুল্য! এআইসিসির নেতাদের একাংশ এখন থেকেই প্রদেশ নেতৃত্বকে এড়াতে শুরু করেছেন।

বাংলা কার দখলে, রায় আজ | জয়ন্ত চৌধুরী - বর্তমান

হয় মমতা, নয় মমতা। প্রায় দু’মাসের অপেক্ষার পর আজ, বৃহস্পতিবার বিধানসভার ভোট গণনার প্রাক্কালে রাজনৈতিক আবহের বিশ্লেষণে এই উচ্চারণই যথেষ্ট। রাজ্য বিধানসভা গঠনের এই নির্বাচনপর্বের পুরোটাই আবর্তিত হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে।

ফলপ্রকাশের পর জোটকর্মীদের বাঁচাতে ভাবনা সিপিএমের | এবেলা

বিধানসভা নির্বাচনের ফলঘোষণার পর ‘সন্ত্রাস’ হলে সেক্ষেত্রে জোটকর্মীদের বাঁচাতে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিচ্ছে সিপিএম। আগে থেকেই তাই সিপিএম নেতৃত্বের চিন্তাভাবনায় রয়েছে, আহতদের জন্য চিকিৎসা, ‘মিথ্যা’ মামলায় জড়িয়ে দেওয়া কর্মীদের জন্য আইনি ব্যবস্থা এবং ঘরছাড়াদের জন্য আশ্রয় সুনিশ্চিত করার ব্যবস্থা। 

১৯ মে প্রশ্ন একটাই, মমতাই থাকবেন, নাকি সিপিএম পার্টিটাই অপ্রাসঙ্গিক হয়ে যাবে? | হিমাংশু সিংহ - বর্তমান

এক্সিট পোল মমতার জয়ের পূর্বাভাস দিলেও জোট রাজনীতির কারবারিরা এখনও বাজি ছাড়তে রাজি নন। তাঁদের অপেক্ষা ১৯ মে’র আসল ফলের জন্য। নিশ্চিতভাবে আমাদেরও সেই ফল বেরনো পর্যন্ত অপেক্ষা করতেই হবে। দিল্লি ও বিহার বিধানসভার মতো পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রেও কোনও এক্সিট পোলই মিলবে না, বরং প্রকৃত ফল উলটো হবে বলেই বিরোধীদের দাবি।

গণনা কেন্দ্রে এজেন্টরা যান দল বেঁধে:‌ বিমান । আজকাল

গণনা কেন্দ্রে কাউন্টিং এজেন্টদের যেতে হবে দলবদ্ধভাবে। আর গণনা কেন্দ্রের বাইরে নিয়ম মেনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের যে ক্যাম্প হবে, সেখানেও সারাক্ষণ জমায়েত থাকতে হবে বামফ্রন্টের সমস্ত শরিক দলের কর্মীরা। গণনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত সমস্ত কাউন্টিং এজেন্টকে দৃঢ়তার সঙ্গে গণনার ওপর নজর রাখতে হবে। কিছুতেই গণনা কেন্দ্র ছেড়ে যাওয়া যাবে না। বুধবার এই মর্মে নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য বামফ্রন্ট।

সারাদিন বাড়িতেই নির্ভার মমতা | দীপঙ্কর নন্দী - আজকাল

কোনও চাপ নেই। নিশ্চিন্তে রয়েছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। জয়ের ব্যাপারে তিনি যে কতটা আত্মবিশ্বাসী, তা ভোট চলাকালীনই প্রচারে গিয়ে মানুষকে বুঝিয়ে দিয়ে এসেছেন। তিনি বলে এসেছেন, আমরাই সরকার গড়ছি। শুধু সময়ের অপেক্ষা।

জাতি হিসাবে ঘুরে দাঁড়াব আমরা? | অঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায় - আনন্দবাজার

বাঙালির রাজনৈতিক অস্তিত্বে ভ্রাতৃঘাতী আঁচড়ের দাগ নেই এ কথা পুরাণকারেও বলবেন না। হিংসাদীর্ণ, সংঘর্ষক্লান্ত স্বজনের রক্তে রাঙানো  নিজস্ব ইতিহাস সম্পর্কে বাঙালি সম্যক ওয়াকিবহাল।

গণনার শুরুতে কাউন্টিং সেন্টারে যাচ্ছেন না তারকা প্রার্থীরা । কৃষ্ণকুমার দাস - সংবাদ প্রতিদিন

গণনার শুরুতে সশরীরে গণনাকেন্দ্রে যাচ্ছেন না বিধানসভা ভোটের অধিকাংশ তারকা প্রার্থীরা৷ স্ত্রী-কন্যার পাশাপাশি অধিকাংশেরই দলীয় নেতা বা ইলেকশন এজেণ্টই সকাল সাতটা থেকে গণনা কেন্দ্রে কাউণ্টিং ইনচার্জের দায়িত্বে থাকছেন৷তবে ভোট শেষ হওয়ার পরে এভাবে দীর্ঘদিন টেনশন নিয়ে বসে থাকা চরম অস্বস্তিকর এবং পীড়াদায়ক বলে স্বীকার করেছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়,  সুব্রত মুখোপাধ্যায়, সোমেন মিত্র, অরুণাভ ঘোষ, ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাস, শোভন চট্টোপাধ্যায়, সুজন চক্রবর্তী থেকে অশোক ভট্টাচার্যরাও৷

তৃণমূল না জোট, কে বসবে সিংহাসনে? দেখুন কী বলছেন জ্যোতিষীরা | আনন্দবাজার


রাত পেরোলেই ভোটের রেজাল্ট। রাজ্যের ক্ষমতা কার হাতে আসবে তার ভাগ্য নির্ধারণের দিন। ভোট পরবর্তী সমীক্ষা অবশ্য পাল্লা তৃণমূলের দিকেই ঝুঁকিয়ে রেখেছে। উলটপূরাণ হবে? নাকি আরও পাঁচ বছরের জন্য এ রাজ্যের রাশ থাকবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরই হাতে? এই মুহূর্তে কার ভাগ্য কেমন? কে হতে চলেছেন আগামী দিনের মুখ্যমন্ত্রী? কী বলছেন জ্যোতিষীরা?

প্রত্যাবর্তন না পরিবর্তন? সম্ভাবনার তিন চিত্র | আনন্দবাজার

রাত পোহালেই গালা সিল খুলে বেরিয়ে আসবে ইভিএম। সংখ্যা, অঙ্ক আর যোগ-বিয়োগের ঝড় উঠবে ৯০টি গণনাকেন্দ্রে। কিন্তু ঝড়ের পূর্বাভাস কী বলছে? কোন দিক থেকে উঠবে ঝড়? আছড়েই বা পড়বে কোন শিবিরে?